Home Uncategorized কলকাতায় টিকার কোনও ডোজই নেননি ১৪ শতাংশ

কলকাতায় টিকার কোনও ডোজই নেননি ১৪ শতাংশ

SHARE

১৭ই সেপ্টেম্বর ২০২১, ওয়েভ ইন্ডিয়া বাংলা , ওয়েব ডেস্ক :-আঠারোর্ধ্ব কলকাতাবাসীর ১৪ শতাংশ এখনও টিকার আওতার বাইরে। এই অংশকে টিকা দিতে তৎপরতা শুরু করেছে কলকাতা পুরসভা। ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সমীক্ষা। কোন এলাকায় কতজন টিকা নিয়েছেন, কয়টি ডোজ নিয়েছেন বা আদৌ টিকা নিয়েছেন কি না, তা যাচাই করতেই এই সমীক্ষা চালাচ্ছে পুরসভা। এই তালিকায় যাঁদের নাম থাকবে না, তাঁদের জন্য আলাদাভাবে টিকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এদিকে, দ্বিতীয় ডোজকে অগ্রাধিকার দিয়ে টিকাকরণের সময়সূচিতেও খানিকটা বদল এনেছে পুরসভা। উত্তর এবং মধ্য কলকাতায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এখন অনেকটাই কম। কিন্তু দক্ষিণ এবং সংযুক্ত কলকাতায় ক্রমে বাড়ছে দৈনিক সংক্রমণ। তাই আশাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি পাঠিয়ে সমীক্ষার কাজ চালানো হচ্ছে। প্রায় দু’সপ্তাহ ধরে এই সমীক্ষা চলছে। স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতিদিন অন্তত ১০০টি বাড়ি যেতে বলা হয়েছে। যাঁরা একটি টিকা নিয়েছেন কিংবা কোনওটাই নেননি, তাঁদের কুপন দেওয়া হচ্ছে। নির্দিষ্ট দিনে গিয়ে তাঁদের টিকা নিতে বলা হচ্ছে। স্বাস্থ্যবিভাগের এক কর্তা বলেন, কলকাতার জনসংখ্যা প্রায় ৫০ লক্ষ। এর মধ্যে আনুমানিক ৩৫ লক্ষ মানুষ ১৮ বছরের উপরে। এই আঠারোর্ধ্বদের মধ্যে ৮৬ শতাংশ টিকার আওতায় এসেছেন। যার মধ্যে অর্ধেক আবার দু’টিই ডোজ নিয়েছে। হিসেব বলছে, এখনও ভ্যাকসিনের সুচ ফোটেনি ১৪ শতাংশ মানুষের শরীরে। ৪৫ বছরের উপরে যাঁদের বয়স, তাঁদের প্রায় ৯৫ শতাংশই টিকা নিয়ে নিয়েছেন বলে পুরসভা সূত্রে খবর।

১০০ শতাংশ টিকাকরণের লক্ষ্যমাত্রা পূর্ণ করতে বৃহস্পতিবার থেকে টিকাকরণের নিয়ম বদলেছে পুরসভা। ঠিক হয়েছে, সকাল ৮টা থেকে বেলা ২টো পর্যন্ত দ্বিতীয় ডোজের টিকা এবং বেলা ২টো থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত প্রথম ডোজের টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। এই প্রসঙ্গে কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম বলেন, যাঁদের দ্বিতীয় ডোজ বাকি, তাঁদের ফোন করা হচ্ছে কিংবা এসএমএস পাঠানো হচ্ছে। যাঁরা এখনও টিকা নেননি, বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাঁদের টিকা নেওয়ার জন্য বোঝানো হচ্ছে। অগ্রাধিকার দিতেই  দ্বিতীয় ডোজের সময় বাড়ানো হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, বাকিদেরও টিকার আওতায় নিয়ে আসার জন্য সমীক্ষা চালানো হচ্ছে। প্রতিদিন গড়ে ৫০-৬০ হাজার মানুষকে সমীক্ষার আওতায় আনা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই প্রায় সাত লক্ষ মানুষের তথ্য পাওয়া গিয়েছে। স্বাস্থ্য আধিকারিকদের বক্তব্য, কলকাতায় যে ১০০ শতাংশ টিকাকরণের কথা বলা হয়েছে, তার মধ্যে প্রায় ২৭-৩০ শতাংশই অন্য জেলার বাসিন্দা। মূল শহরের নাগরিকরা অনেক সময় ভিড় দেখে টিকাকেন্দ্রে আসতে চাইছেন না। সেই কারণেই বাড়ি বাড়ি গিয়ে কুপন দিয়ে নির্দিষ্ট সময়ে টিকা নিতে আসতে বলা হচ্ছে।

 

SHARE

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here