Home Breaking News অপছন্দের প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিদ্রূপ পোস্টার বিজেপির

অপছন্দের প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিদ্রূপ পোস্টার বিজেপির

SHARE

২২শে মার্চ ২০২১, ওয়েভ ইন্ডিয়া বাংলা, ওয়েব ডেস্ক :- প্রার্থী ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই বিজেপির অন্দরে চলছিল ক্ষোভ-বিক্ষোভ। শনিবার বিজেপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে পোস্টার পড়ে খণ্ডঘোষে। পোস্টার ঘিরে এ দিন বিকেলে পথ অরবোধও করেন বিজেপি কর্মীরা। তবে বিজেপি প্রার্থী তৃণমূলের দিকে আঙুল তুলেছেন। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। খণ্ডঘোষে এ বারে বিজেপির টিকিট পেয়েছেন বিজন মণ্ডল। যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আদি বিজেপি কর্মীরা। দিন কয়েক ধরেই চলছিল ক্ষোভ-বিক্ষোভ। এমনকী দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্দল প্রার্থী দেওয়ার কথা ঘোষণাও করা হয়েছিল। শনিবার সকালে খণ্ডঘোষ ব্লকের বিভিন্ন জায়গায় বিজনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানিয়ে পোস্টার পড়ে। পোস্টারে কোথাও লেখা হয়েছে বহিরাগত প্রার্থী, কোথাও প্রার্থীর চরিত্র নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। যদিও এই ধরনের পোস্টারের পিছনে তৃণমূলের ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোরের টিমের লোকেরা জড়িত বলেই মন্তব্য করেছেন বিজেপি প্রার্থী বিজন। তিনি বলেন, ‘পিকের টিমের লোকেরা টাকা খাইয়ে এই কাজ করেছেন। এলাকায় আমার যথেষ্ট ভালো ভাবমূর্তি রয়েছে। নিশ্চিত হারের আগে এ সব নোংরামি শুরু করেছে পিকের টিম।’ এ বিষয়ে অভিযোগও দায়ের করেছেন বিজন। বহু জায়গায় এই পোস্টার ছিঁড়ে দেন বিজেপি কর্মীরা। তবে খণ্ডঘোষের গয়েশপুর, মাধপুর, কৈয়ড়, শঙ্করপুর, গোপালবেড়া, বোঁয়াইচণ্ডী, শশঙ্গা, তোড়কোনা, গোপীনাথপুর, বাদুলিয়া, কুকুড়া ইত্যাদি এলাকায় ‘আদি বিজেপি জিন্দাবাদ’ লেখা পোস্টারে ছেয়ে যায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় রাজনৈতিক চাপানউতোর।

বিজেপির জেলার সাধারণ সম্পাদক সুনীল গুপ্তা বলেন, ‘এই পোস্টার তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে লাগানো হয়েছে। দলকে বদনাম করার জন্যই তৃণমূল এই কাজ করেছে। পায়ের তলা থেকে মাটি সরে যাচ্ছে বুঝেই এই নোংরামি করছে তৃণমূল।’ পাল্টা তৃণমূলের দাবি, বিজেপির আদি ও নব্যের দ্বন্দ্ব এখন সর্বজনবিদিত। ব্লক তৃণমূলের সভাপতি অপার্থিব ইসলাম বলেন, ‘প্রার্থী তালিকা নিয়ে বিজেপির উত্তর থেকে দক্ষিণে গন্ডগোল চলছে। এমনকী সদর দপ্তরে ভাঙচুর, আগুন লাগানো এ সবও করা হচ্ছে। গোটা রাজ্যের মানুষ দেখছেন। খণ্ডঘোষে যদি নরেন্দ্র মোদীকেও প্রার্থী করে বিজেপি, কমপক্ষে ৩০ হাজার ভোটে হারাব। কাদের পায়ের তলায় মাটি নেই ২ মে প্রমাণ হবে।’ খণ্ডঘোষ উচ্চ বিদ্যালয়ের ইতিহাসের শিক্ষক বিজন। তাঁর বাড়ি রায়না বিধানসভার শ্যামসুন্দরে। ১৯৯০ সাল থেকে আরএসএস-র সক্রিয় কর্মী হিসেবে কাজ করেন। ২০১৮ সালে রাজনীতিতে প্রবেশ। জেলা বিজেপির সম্পাদক হিসেবে কাজ শুরু করেন। এখন বিজেপির জেলার সহ সভাপতির পদে রয়েছেন।

SHARE

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here