Home Politics বিজেপি একটা লোডেড ভাইরাস পার্টিঃ মমতা

বিজেপি একটা লোডেড ভাইরাস পার্টিঃ মমতা

SHARE

২১শে জুলাই ২০২১, ওয়েভ ইন্ডিয়া বাংলা , ওয়েব ডেস্ক :-প্রত্যাশা মতোই শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে ২০২৪-এর সুর বেঁধে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে আগামী লোকসভা নির্বাচনে এখনও অনেক সময় বাকি রইলেও তার প্রস্তুতি এখন থেকেই শুরু করে দিতে হবে বলে জানান তিনি। মমতা বলেন, “আমরা লড়াই করতে প্রস্তুত। বাংলা যেমন দেখিয়ে দিয়েছে, তেমনই বিজেপিকে রুখতে হলে প্রত্যেক রাজ্যকেই এগিয়ে আসতে হবে।” সমস্ত আঞ্চলিক নেতাদের তাঁর আবেদন, “যান নিজের নিজের দলকে বোঝান।” সময় নষ্ট করলে যে অনেক দেরি হয়ে যাবে সে কথাও বলতে শোনা যায় তৃণমূল নেত্রীকে।
একুশের জুলাইয়ের বক্তব্যের শুরু থেকেই ফোনে আড়ি পাতা নিয়ে সরব হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তিনি অভিযোগ করেন, বিরোধী নেতারা তো বটেই, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের ফোনেও নজরদারি চালানো হচ্ছে৷ এই প্রসঙ্গেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের প্রতি আমরা প্রত্যেকে শ্রদ্ধাশীল৷ আপনারা কি স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করতে পারেন না? বিচারপতি, রাজনৈতিক দলের নেতা, প্রত্যেকের ফোনে আড়ি পাতা হচ্ছে৷ ফোনগুলি রেকর্ডারে পরিণত হয়েছে৷ আপনারা যদি বাড়ির লোকের সঙ্গে কথা বলেন, তাও রেকর্ড হয়ে যাবে৷ দয়া করে দেশকে বাঁচান৷ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা করুন৷ নাহল সিট গঠন করুন৷ সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে সিটের তদন্ত হোক৷ কাদের ফোনে আড়ি পাতা হয়েছিল, তা সামনে আসুক৷’
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কটাক্ষ, বিজেপি একটা লোডেড ভাইরাস পার্টি। করোনার চেয়েও বড় ভাইরাস বিজেপি-তে আছে। বেকারি বেড়েছে। শুধু গুলি চালাও, সবাইকে মেরে দাও। এই তো রাজনীতি ওদের। তিনি বলেন, বিজেপির মগজে মরুভূমি। মানবাধিকার জানে না। শুধু ফোন ট্যাপ আর স্পাই গিরি করলে সব হয় না। এজেন্সিদের ঠিকাদার হয়েছে বিজেপি।

তিনি যোগ করেন, ভারত সবচেয়ে বড় গণতন্ত্র। বিজেপি তা ধ্বংস করছে। যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামো ধ্বংস করছে। গণতন্ত্রের ৩টি মূল স্তম্ভ – ভোট, জুডিশিয়ারি, মিডিয়া – পেগাসাস এসে ইলেকশন প্রসেস ক্যাপচার করেছে, জুডিশিয়ারি ক্যাপচার করেছে, মিডিয়া হাউসগুলো ক্যাপচার করেছে। ব্ল্যাকমেল করা হচ্ছে। গোয়েন্দাশাসিত স্টেট বানাতে চাইছেন।

পাশাপাশি তিনি বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমি সব রাজ্যের নেতাদের আবেদন জানাবো, যান, নিজের নিজের দলকে বোঝানো শুরু করুন। সবাই একসঙ্গে কাজ করার জন্য এক ফ্রন্ট গঠন করুন। আর এই ফ্রন্ট নিয়ে এখন থেকেই পরিকল্পনা করুন।” দেরি হয়ে গেলে যে বিজেপিকে ঠেকানো যাবে না সেই কথা উল্লেখ করে নেত্রীকে বলতে শোনা যায়, “মৃত্যুর পর ডাক্তার ডাকলে কিন্তু কোনও লাভ নেই। রোগ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যদি তা আটকানোর বন্দোবস্ত করা যায়, তাহলে কিন্তু রোগী সেরে উঠতে পারে। তাই এখনই সময়। একটাও দিন নষ্ট করা যাবে না।”

 

SHARE

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here